Politics

CPIM Candidates: বামেদের কোন কোন হেভিওয়েটরা কোথা থেকে দাঁড়াচ্ছেন? এক নজরে বামেদের প্রার্থীদের লিস্ট দেখে নিন

যাদবপুরে সিপিআইএমের প্রার্থী হচ্ছেন বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে মিমি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে তিনি দাঁড়িয়েছিলেন। তবে অবশ্য পরাজিত হয়েছিলেন তিনি।

CPIM Candidates: আসন্ন ভোটে ১৯২টি আসনের এবার প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছেন বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান

 

হাইলাইটস:

  • এবার ভোটে বামেদের পুরনো মুখের পাশাপাশি রয়েছে নতুন মুখও
  • এবারের লড়াইয়ের মাঠে আছেন বামেদের কয়েকজন হেভি ওয়েটও
  • আজ এই প্রতিবেদনে দেখে নিন বামদের প্রার্থীদের তালিকা

CPIM Candidates: ভোট ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রথম প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বামফ্রন্ট (CPIM)। বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু ১৯২টি আসনের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছেন। এবার ভোটে বামেদের যেমন নতুন মুখ রয়েছে, তেমনই রয়েছে পুরনো মুখও। লড়াইয়ের ময়দানে কয়েকজন হেভি ওয়েটও আছেন। তাঁদের তালিকা দেখে নিন।

We’re now on WhatsApp- Click to join

যাদবপুরে সিপিআইএমের প্রার্থী হচ্ছেন বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে মিমি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে তিনি দাঁড়িয়েছিলেন। তবে অবশ্য পরাজিত হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু গত কয়েক বছরে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আইনী লড়াইয়ে তিনি এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে নিয়োগ মামলা থেকে ডিএ মামলা কোর্টে লড়াই করেছেন। অনেক ক্ষেত্রে জয় পেয়েছেন। চাকরি বাতিল মামলায় তাঁর উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল।

We’re now on Telegram- Click to join

মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় উত্তরপাড়া থেকে লড়ছেন। তিনি হলেন ‘ক্যাপ্টেন’। বামেদের হাল আমলের অন্যতম তরুণ মহিলা মুখ। এর আগেও বিধানসভা নির্বাচনে লড়েছিলেন। দাঁড়িয়েছিলেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মতো নেতাদের বিরুদ্ধে। তবে অবশ্য জিততে পারেননি। তবে তাঁর মেঠো মুখের ভাষা এবং ঝাঁঝাল কণ্ঠের বক্তৃতা প্রশাসনকে বরাবরই বিদ্ধ করেছে।

আরও একবার লড়াইয়ের মাঠে দেবলীনা হেমব্রম। তিনি রানিবাঁধ থেকে দাঁড়াচ্ছেন। ১৯৯৬ থেকে ২০১৬ সাল অবধি রানিবাঁধের বিধায়ক ছিলেন দেবলীনা। ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল অবধি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সরকারে অনগ্রসর শ্রেণিকল্যাণ উন্নয়নমন্ত্রী ছিলেন তিনি। ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যও। সিপিআইএম বাঁকুড়ার জেলা সিপিআইএমের সম্পাদকের দায়িত্ব দিয়েছে এই দেবলীনাকেই। যা নজিরবিহীন। কারণ, সিপিআইএম-এর গোটা ইতিহাসে প্রথম কোনও মহিলাকে দেওয়া হয়েছে এই পদ। লড়াকু নেত্রী তিনি। ব্রিগেডে ঝড় তুলেছিলেন নিজের ভাষণে।

CPIM Candidates

সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় মহেশতলা থেকে লড়ছেন। এই সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় হলেন একাধারে আইনজীবী, অন্যধারে সিপিআইএম-এর তরুণ মুখ। তৃণমূলের দেবাংশু ভট্টাচার্য এবং বিজেপি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লোকসভা ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন। তবে জিততে পারেননি।

কলতান দাসগুপ্ত পানিহাটি থেকে লড়ছেন। এবার তিনি অন্যতম মুখ। আরজি কর কাণ্ডের সময় হামলার ষড়যন্ত্র করার অভিযোগ উঠেছিল এই কলতানের বিরুদ্ধে। যদিও পরবর্তীতে জামিন পান তিনি। কলকাতান বলেছিলেন, সে নির্দোষ। তাঁকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ফাঁসানো হচ্ছে। কলতানকে বিভিন্ন সংবাদ-মাধ্যমে তিনি বামেদের মুখপাত্র হয়ে যান।

Read More- বাংলায় রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়তে চলেছে, শীতকালীন অধিবেশনের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চাপ বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে বিজেপি…

এবার দমদম উত্তর থেকে লড়ছেন দীপ্সিতা ধর। তিনি বামেদের অন্যতম যুব নেত্রী। একুশের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের রানা চট্টোপাধ্যায় এবং বিজেপির বৈশালী ডালমিয়ার বিরুদ্ধে। তবে পরাজিত হন ৩০ হাজারের বেশি ভোটে। ২০২৪ সালে উত্তরপাড়া লোকসভা কেন্দ্র থেকে দাঁড়িয়েছিলেন দীপ্সিতা। তবে তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি।

এইরকম আরও রাজনৈতিক প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।

Back to top button