Subhas Chandra Bose: জানেন কি সুভাষচন্দ্র বসু কিভাবে ‘নেতাজি’ হয়ে উঠেছিলেন? বেশিরভাগ মানুষই ভুল জানেন! আপনি কি সঠিক জানেন?
অনেক ছোট বয়স থেকেই দেশের স্বাধীনতা নিয়ে খুব গভীরভাবে ভেবেছিলেন নেতাজি। তাঁর সেই তরুণ চোখে তিনি দেশ স্বাধীনের নানা স্বপ্ন দেখেছিলেন। নেতাজি ভেবেছিলেন যে, এমন এক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে যার সৈন্যদল ব্রতী হবে দেশের স্বাধীনতা আনতে।
Subhas Chandra Bose: কে বা কারা সুভাষচন্দ্র বসুকে প্রথম ‘নেতাজি’ নাম দিয়েছিলেন জানেন? সেই অজানা গল্পই তবে আজ জেনে নিন
হাইলাইটস:
- দেশের স্বাধীনতা নিয়ে গভীরভাবে ভেবেছিলেন সুভাষচন্দ্র বসু
- তবে তিনি কীভাবে হয়ে উঠলেন সকলের ‘নেতাজি’? তা জানেন কি?
- আজ এই প্রতিবেদনে সুভাষচন্দ্র বসুর নেতাজি হয়ে ওঠার গল্প জেনে নিন
Subhas Chandra Bose: ২৩শে জানুয়ারি সারা দেশজুড়ে পালিত হবে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর ১২৯ তম জন্মবার্ষিকী। নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুকে নিয়ে ভারতবাসী আজও গর্ব অনুভব করে। তবে মায়ের সেই ছোট্ট সুবি থেকে তিনি কীভাবে হয়ে উঠলেন সকলের নেতাজি? সেই গল্প তবে অনেকের কাছেই অজানা।
We’re now on WhatsApp- Click to join
অনেক ছোট বয়স থেকেই দেশের স্বাধীনতা নিয়ে খুব গভীরভাবে ভেবেছিলেন নেতাজি। তাঁর সেই তরুণ চোখে তিনি দেশ স্বাধীনের নানা স্বপ্ন দেখেছিলেন। নেতাজি ভেবেছিলেন যে, এমন এক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে যার সৈন্যদল ব্রতী হবে দেশের স্বাধীনতা আনতে।
We’re now on Telegram- Click to join
সেই কারণেই তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের সাহায্যে সিঙ্গাপুরে গড়ে তুলেছিলেন আজাদ হিন্দ বাহিনী। প্রথমে জাপান সরকারের অধীনে সিঙ্গাপুর থাকলেও, পরে তবে তা নেতাজির আজাদ হিন্দ সরকারের অধীনস্ত হয়।
এই তরুণ নেতা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ই আন্দাজ করতে পেরেছিলেন যে, দেশে থেকে কখনই সম্ভব নয় স্বাধীন ভারতের সূর্যোদয় ঘটানো। তাই দেশকে স্বাধীন করতে ১৯৪১ সালে তিনি দেশ ছেড়ে ব্রিটিশ বিরোধী শক্তিধর দেশের সাথে গিয়ে হাত মেলালেন। তখন এটা তিনি পরিস্কারভাবে বুঝে গিয়েছিলেন- যেমন দেশকে স্বাধীন করতে অন্যদেশের সাহায্য প্রয়োজন, ঠিক তেমনি প্রয়োজন নিজের সৈন্যবলও।

দেশকে স্বাধীন করার কর্মকাণ্ডকেই বাস্তবে রূপ দিতে জার্মানি গিয়েই সুভাষচন্দ্র বসু নিয়েছিলেন প্রথম পদক্ষেপ। বার্লিনের পূর্ব পরিচিত দুই যুবসমাজ ও ভারতীয় ছাত্রদের নিয়ে তিনি তৈরি করেছিলেন একটি ভিলিন্টিয়ারি গ্রুপ। দেশকে স্বাধীন করতে প্রয়োজন ছিল প্রচুর সৈন্যবল। আর সেদিকে টার্গেট করেই জার্মানির হাতে বন্দী ভারতীয়দের তা বোঝাতে শুরু করলেন।
তাঁকে এই পথেও অনেক বেগও পেতে হয়েছিল। তারা প্রথমে তাদের লিডার হিসাবে নেতাজিকে মানতে নারাজ ছিল। কিন্তু তিনি হার মানেননি। দেশের প্রতি নেতাজির ভালোবাসা ও দেশকে স্বাধীন করার এহেন প্রচেষ্টার কথা শুনে তারা নেতাজির পাশে থাকতে রাজী হয়ে যায়।
Read More- সুভাষ চন্দ্র বসুর জন্মবার্ষিকীতে তাঁর জন্মবার্ষিকী কীভাবে পালন করা হয় জেনে নিন
দেশকে স্বাধীন করতেই তৈরি হয় ইণ্ডিয়ান ন্যাশানাল আর্মির। এই দল গঠনের প্রথম ধাপ তৈরি হয়েছিল বার্লিনে ফ্রি ইণ্ডিয়ান সেন্টার, তারপর গঠিত হয় ইন্ডিয়ান লিজন। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এই সেনাদের কাছে খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন নেতাজি। তাঁর দেশপ্রেম, তাঁর কথা, সেনাদের উৎসাহিত- অনুপ্রাণিত করার ধরণ- সবকিছু মিলিয়েই সুভাষ চন্দ্র বসু তাদের কাছে হয়ে উঠলেন ‘নেতাজি’। এবং এছাড়াও, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরেরও বেশ কিছু লেখাতে সুভাষচন্দ্রকে ‘নেতাজি’ বলেই উল্লেখ করা হয়।
এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।







