Trump-Putin: শর্ত চাপিয়ে ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সই করতে রাজি রুশ প্রেসিডেন্ট? সৌজন্যে কি ট্রাম্পের রাশিয়া-প্রীতি?
ইউরোপের সংবাদমাধ্যমগুলির একাংশের দাবি, গত মাসে আমেরিকার উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে রাশিয়ার কয়েক দফা আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে সাময়িক যুদ্ধবিরতি নিয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Trump-Putin: যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সই করতে কী কী শর্ত চাপাতে পারেন রুশ প্রেসিডেন্ট?
হাইলাইটস:
- অবশেষে যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সই করতে রাজি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন
- সেক্ষেত্রে মস্কোর তরফে রাখা হতে পারে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্তও
- তিন বছর ধরে টানা যুদ্ধ চলার পর অবশেষে পুতিনের পদক্ষেপে আশার আলো দেখছে সমগ্র ইউরোপ
Trump-Putin: ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির পর এ বার যুদ্ধবিরতি চাইছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও। সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই তিনি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সই করতে পারেন বলেই জানা যাচ্ছে। তবে এমনি না, মস্কোর তরফে রাখা হতে পারে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্তও। পুতিন যদি চুক্তিতে সই করেন, তবে যুদ্ধ থামানোর সব ক্রেডিট যে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নেবেন, তা বলাই যায়।
We’re now on WhatsApp – Click to join
ইউরোপের সংবাদমাধ্যমগুলির একাংশের দাবি, গত মাসে আমেরিকার উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে রাশিয়ার কয়েক দফা আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে সাময়িক যুদ্ধবিরতি নিয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
Donald Trump:
"I think I do know how to end the war. Despite the 'Russia, Russia, Russia' hoax, I've always had a good relationship with Putin."
Yeah, because you're his pet. pic.twitter.com/qBaPHLC0Oq
— Art Candee 🍿🥤 (@ArtCandee) March 7, 2025
তিন বছর ধরে টানা যুদ্ধ চলার পর অবশেষে পুতিনের পদক্ষেপে আশার আলো দেখছে সমগ্র ইউরোপ। ডোনাল্ড ট্রাম্প ফের আমেরিকার মসনদে বসার পরেই রাশিয়ার সঙ্গে সমঝোতার বার্তা দিয়েছেন ইউক্রেনকে। ভ্লাদিমির জেলেনস্কির দেশকে এ বিষয়ে কূটনৈতিক পন্থা অবলম্বনেরও পরামর্শ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তবে অনড় মনোভাব নিয়ে চলছিলেন জেলেনস্কি। যার ফলে ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসানির মুখেও পড়তে হয় তাঁকে।
We’re now on Telegram – Click to join
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ গোটা পশ্চিমি দুনিয়ার কাছে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দাবি করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, এ বার রাশিয়াও সাময়িক বোঝাপড়ায় রাজি হয়েছে।
এক্ষেত্রে বেশ কিছু শর্ত রয়েছে পুতিনের। আন্তর্জাতিক মহলের একাংশের দাবি, রাশিয়া যদি সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সত্যিই রাজি হয় তবে শান্তিরক্ষা মিশনে গুরুত্ব দেবে পুতিন সরকার। সেই মিশনে কোন কোন দেশ অন্তর্ভুক্ত হবে, তার শর্তও দিতে পারে তারা।
এ দিকে, ট্রাম্প এবং জেলেনস্কির বিবাদ প্রকাশ্যে আসার পর মনে করা হচ্ছে, রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করতে ইউক্রেনকে বাধ্য করতে পারে আমেরিকা। তাই মনে করা হচ্ছে, ট্রাম্পের চাপে পুতিনের সমস্ত শর্ত মেনে নিতে পারে জেলেনস্কি। কারণ, আচমকাই ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাশিয়া-প্রীতি ভাবাচ্ছে গোটা বিশ্বকে। যে রাশিয়ার সঙ্গে সবসময় আমেরিকার আদায়-কাঁচকলার সম্পর্ক ছিল, এখন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট রাশিয়ার উপরই বেশি আস্থা রাখছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতে, এই যুদ্ধ থামাতে ইউক্রেনের তুলনায় রাশিয়ার সঙ্গেই নাকি কাজ করা তুলনায় অনেক সহজ।
আগামী মঙ্গলবার সৌদি আরবে মার্কিন আধিকারিকদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসতে চলেছেন ইউক্রেনের আধিকারিকরা। সৌদির রাজার সঙ্গে দেখা করবেন জেলেনস্কিও। তবে মার্কিন আধিকারিকদের সঙ্গে যে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে, তাতে তিনি থাকবেন না। প্রতিনিধিদের পাঠানো হবে।
এই রকম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।