Entertainment

Mon Maaney Na Review: জেন জি’র ভালোবাসা, সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে কেমন হল শাশ্বতকন্যার ডেবিউ চলচ্চিত্র ‘মন মানে না’? রিভিউ পড়ুন

প্রথমার্ধে ঘটনার ঘনঘটা এবং দ্রুত আকর্ষণীয়। দ্বিতীয়ার্ধ হল একটু ধীর এবং রিপিটেটিভ। তবু আগ্রহ থাকবে, কারণ বাংলা ছবিতে ডেবিউ করলেন শাশ্বত এবং মহুয়া চট্টোপাধ্যায়ের কন্যা হিয়া চট্টোপাধ্যায়।

Mon Maaney Na Review: বন্ধুত্ব নাকি প্রেম? ‘মন মানে না’ ছবির প্রেক্ষাপট কেমন? এখনই বিস্তারিত জেনে নিন

হাইলাইটস:

  • ১৩ই ফেব্রুয়ারি পর্দায় মুক্তি পেয়েছে ‘মন মানে না’
  • এই ছবির হাত ধরেই বড় পর্দায় হিয়া চট্টোপাধ্যায়
  • বাংলা ছবিতে নতুন অধ্যায় শুরু ঋত্বিক ভৌমিকেরও

Mon Maaney Na Review: ভালোবাসা দিবসে মুখে মুক্তি পেয়েছে রাহুল মুখোপাধ্যায় পরিচালনায় ‘মন মানে না’। ট্রেলার দেখেই বোঝা গিয়েছিল, এক্কেবারে নয়া প্রজন্মের প্রেমের ভাষাই এবার সিনেমার পর্দায়। তাদের আবেগ, জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি, প্রেম-অপ্রেম, ভালোবাসা, সিচুয়েশনশিপ– এই সবকিছু নিয়েই তৈরি চিত্রনাট্য (অরিত্র সেনগুপ্ত)। গল্প লিখেছেন পরিচালক রাহুল এবং অরিত্র যৌথভাবে। পুরো ছবিটায় কাজ করে একটা ফিলগুড ফ্যাক্টর। হইহই করা ছবি, কিছু ত্রুটি থাকলেও মূল চালিকাশক্তি হল ভালোবাসা।

We’re now on WhatsApp- Click to join

প্রথমার্ধে ঘটনার ঘনঘটা এবং দ্রুত আকর্ষণীয়। দ্বিতীয়ার্ধ হল একটু ধীর এবং রিপিটেটিভ। তবু আগ্রহ থাকবে, কারণ বাংলা ছবিতে ডেবিউ করলেন শাশ্বত এবং মহুয়া চট্টোপাধ্যায়ের কন্যা হিয়া চট্টোপাধ্যায়। আর বলিউডে কাজ করে আসা ঋত্বিক ভৌমিকেরও এটি প্রথম বাংলা ছবি। তৃতীয় কারণ, সৌম্য মুখোপাধ্যায়ের মতো ভার্সেটাইল আর শক্তিশালী অভিনেতার উপস্থিতি। যদিও তাঁকে ছবিতে আরও ব্যবহার করলে ভালো হত।

We’re now on Telegram- Click to join

গল্পটি কেমন? 

রাহুল (ঋত্বিক ভৌমিক) এবং বিদিশা (হিয়া) হল কলেজের প্রিয় বন্ধু। রাহুল মিলেনিয়াল এবং বিদিশা জেন জি। তাদের বন্ডিংয়ে বাধা হয়ে দাঁড়ায় না এই তফাত। রাহুলের সমস্ত বিফল রোমান্সে বিদিশা সান্ত্বনার কাঁধ দেয়। অথচ ছেলেটা বুঝতেই পারে না যে, এই মেয়েটার মনের গভীরে তার জন্য ঠিক কী রাখা রয়েছে। কলেজ শেষে সময় গড়ালে তাদের যোগাযোগ ছিন্ন হয়ে যায়। বেশ কিছুদিন পর বিদিশার জীবনের এক অনিবার্য বাঁকে তাঁদের ফের দেখা হয়। এই পুনর্মিলন সামনে নিয়ে আসে ছেলেমেয়ে দুটোর অনেক না বলা কথা। রাহুলেরই সংলাপ মনে পড়ে, একটা মানুষের সাথে তিনবার দেখা। আলাপ হওয়ার সময়। তারপর খারাপ সময় এবং ভালো সময়।

প্রথম সিনেমায় যথাসাধ্য করেছেন হিয়া। হাসি-কান্নার প্রত্যেকটা বাঁকেই সাবলীল তিনি। নাচেও সে পারদর্শী।

ছবির দ্বিতীয়ার্ধ হল পুরোটাই পাহাড়ে। মধুরা পালিতের সিনেমাটোগ্রাফি ছবির মেজাজ বেশ ফুটিয়ে তুলেছে। সব ফ্রেমই বেশ ছিল কালারফুল, সেটা বোধ হয় জেন-জির কথা মাথায় রেখেই। নীলায়নের মিউজিকও প্রাণবন্ত। ছবির ত্রিভুজ ঋত্বিক, হিয়া, সৌম্য হলেও, ‘মেঘলা’র চরিত্রে শ্বেতা মিশ্রর ভূমিকাও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তবে ঋত্বিকের বাংলা উচ্চারণ আর হেয়ারস্টাইল নিয়ে পরিচালকের আরও একটু সচেতনতা প্রয়োজন ছিল। আবেগ-নির্ভর অভিনয় ভালোই পারেন ঋত্বিক তবু এই ছবিতে আরও ছিল প্রত্যাশা। বৃষ্টির মধ্যে হিয়া আর ঋত্বিকের একটা সিকোয়েন্স মনে রাখার মতো। নজরকাড়া অভিনয় সৌম্য মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা। রাহুলের মায়ের চরিত্রে একদম বিশ্বাসযোগ্য সুদীপা বসু। ক্যামিও চরিত্রে অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্রও দারুণ, সুস্মিতা সেনের কথা তিনি মনে করাবেন। কেন? তা না হয় ছবিতেই দেখবেন।

Read More- অবশেষে অপেক্ষার রেশ কাটল, ‘বাইক অ্যাম্বুল্যান্স দাদা’র ছবির শুটিং শুরু দেবের

এদিকে, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় এবং ঋতাভরী চক্রবর্তীর চমকটাও ছিল বেশ মজার। রণজয়ের একটা সংলাপ– ‘বেঁচে থাকতে কারও জীবনে সেকেন্ড অপশন হব না।’ এটাই ছবি শেষ হওয়ার পরেও ধাক্কা দেয় মনে। তবে চিত্রনাট্যের ফাঁক-ফোকরগুলো ভরাটে আরও যত্ন নিলে বেশ ভালো হত।

এইরকম আরও বিনোদন জগতের প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।

Back to top button