Bangla News

US vs Iran: এই মুহূর্তে আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে যুদ্ধ হলে সামরিক শক্তিতে এগিয়ে কোন দেশ? খামেইনির দেশ কি ট্রাম্পকে হারাতে পারবে?

জমিন-আসমান ফারাক রয়েছে দুই দেশের মধ্যে। সামরিক শক্তির দিক থেকে বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে ১৬ নম্বরে রয়েছে খামেইনির দেশ ইরান। আর্থিক সুবিধার দিক থেকে ইরানের তুলনায় আমেরিকা প্রায় ৬০ গুণ বেশি।

US vs Iran: ইরান বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার হলেও বিশ্বের ১ নম্বর পারমাণবিক শক্তিকে হারানো তাদের জন্য খুব মুশকিল

হাইলাইটস:

  • বর্তমানে আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বাঁধার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে
  • ট্রাম্প এবং খামেইনির দেশের সংঘর্ষ বাঁধলে সামরিক শক্তির দিক থেকে কে এগিয়ে থাকবে?
  • খামেইনি কি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারাতে পারবেন?

US vs Iran: আমেরিকা-ইরানের মধ্যে যে উত্তেজনা চলছে তা এক সম্ভাব্য যুদ্ধের প্রশ্ন তুলেছে। যদি ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং আলি খামেইনির দেশের সামরিক শক্তির তুলনা করা হয়, তাহলে একথা সকলেরই জানা আমেরিকার কাছে প্রযুক্তিগত ভাবে বিশ্বের সর্বাধিক উন্নত সামরিক বাহিনী রয়েছে। তবে ইরানকে দুর্বল ভাবলেও ভুল হবে। কারণ এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে ইরান বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার এবং প্রক্সি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে এক শক্তিধর দেশে পরিণত হয়েছে।

We’re now on WhatsApp – Click to join

৮৯৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি প্রতিরক্ষা বাজেটের জোরে আমেরিকার সামরিক শক্তি বর্তমামে বিশ্বে ১ নম্বর। সেখানে ইরানের প্রতিরক্ষা বাজেট মাত্র ১৫ বিলিয়ন ডলার! তাই একথা বলাই যায়, জমিন-আসমান ফারাক রয়েছে দুই দেশের মধ্যে। সামরিক শক্তির দিক থেকে বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে ১৬ নম্বরে রয়েছে খামেইনির দেশ ইরান। আর্থিক সুবিধার দিক থেকে ইরানের তুলনায় আমেরিকা প্রায় ৬০ গুণ বেশি।

আমেরিকার সক্রিয় সামরিক বাহিনীর সদস্য সংখ্যা প্রায় ১৩ লক্ষ। যেখানে ইরানের সংখ্যা মাত্র ৬ লক্ষ ১০ হাজার। তবে সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, ইরানের বাসিজ এবং রেভোলিউশনারি গার্ডস-সহ এক বিশাল আধা-সামরিক বাহিনীও রয়েছে।

আমেরিকান সেনা ১৩ হাজারেরও বেশি সামরিক বিমান পরিচালনা করে। যার মধ্যে উন্নতমানের F-22 এবং F-35 এর মতো ফিফথ জেনারেশন স্টেলথ ফাইটার জেটও রয়েছে। বিমান বাহিনীর কথা বললে ইরানের বিমান বাহিনী উল্লেখযোগ্য ভাবে অনেকটাই ছোট এবং পুরনো। মাত্র ৫৬০টি বিমান রয়েছে ইরানের। মার্কিন নৌসেনার কাছে ১১টি বিমানবাহী রণতরী এবং ৮১টি ডেস্ট্রয়ার রয়েছে। যা বিশ্বে ‘ব্লু-ওয়াটার’ শক্তি নামে পরিচিত। অন্যদিকে পিছিয়ে নেই ইরানও, পারস্য উপসাগরে কেন্দ্রীভূত এক ‘গ্রিন-ওয়াটার’ নৌবাহিনী পরিচালনা করে ইরান। যা যুদ্ধে লিপ্ত না হয়েও শত্রু জাহাজকে রুখতে যথেষ্ট।

আমেরিকার কাছে সব মিলিয়ে সব রকমের প্রায় ২৫-৩০ হাজারেরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র মজুদ রয়েছে। এদিকে ইরানের কাছে মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে সবচেয়ে বড় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের বিপুল ভাণ্ডার রয়েছে, যেখানে এই মুহূর্তে ৩০০০-এরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র মজুদ রয়েছে।

সারা বিশ্বে আমেরিকা এক স্বীকৃত পারমাণবিক শক্তি। তবে ইরানের কাছে পারমাণবিক শক্তি না থাকলেও তাদের ‘থ্রেশহোল্ড স্টেট’ ওরফে ‘প্রান্তিক রাষ্ট্র’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কারণ তারা অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করেছে। যা এখন বিশ্ব কূটনীতিতে এক প্রধান বিতর্কের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Read more:- আকাশসীমা বন্ধ, কোন পথে ইরানে হামলা করবে মার্কিন বাহিনী? ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে হামলার এল ব্লু-প্রিন্ট

আমেরিকা ন্যাটো এবং মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলি নিয়ে এক বিশ্বজোড়া নেটওয়ার্ক রয়েছে। সারা বিশ্বে তাদের ৭৫০টিরও বেশি ঘাঁটি রয়েছে। বিপরীতে লেবানন, ইরাক, সিরিয়া এবং ইয়েমেনের প্রক্সি নিয়ে তৈরি ইরানের নেটওয়ার্ক। যার মাধ্যমে তারা সরাসরি সৈন্য মোতায়েন ছাড়াই নিজেদের প্রভাব বিস্তার করতে পারে

এই রকম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।

Back to top button