Bangla News

Pakistan Air Strike on Afghanistan: রমজান মাসে আফগানিস্তানে পাক হামলা! বেছে বেছে সাতটি জঙ্গি শিবির গুঁড়িয়ে দিল পাক F16 যুদ্ধবিমান

বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে ইসলামাবাদ, বাজাউর ও বান্নুর ইমাম বারগাহে বোমা হামলা সহ সাম্প্রতিক আত্মঘাতী হামলার পর এটাই ছিল প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ।

Pakistan Air Strike on Afghanistan: আফগানিস্তানের সীমান্তে জঙ্গি ঘাঁটি লক্ষ্য করে ‘এয়ার স্ট্রাইক’ পাকিস্তানের

হাইলাইটস:

  • আফগানিস্তান সীমান্তের উপর হামলা পাকিস্তানের
  • রমজান মাসে এই হামলায় উঠছে তীব্র নিন্দার ঝড়
  • আফগানিস্তানের ৭টি জায়গা গুঁড়িয়ে দিল পাকিস্তান

Pakistan Air Strike on Afghanistan: রাতের আকাশে আফগানিস্তানের সীমান্তে জঙ্গি ঘাঁটি লক্ষ্য করে ‘এয়ার স্ট্রাইক’ পাকিস্তানের। পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, সীমান্তের ওপারে ৭টি জঙ্গি শিবির এবং আস্তানা লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। আরও জানানো হয়েছে যে, এই হামলা নিষিদ্ধ তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) ও ইসলামিক স্টেট-খোরাসান (আইএসকেপি)-কে লক্ষ্য করেই। টিটিপিকে “ফিতনা আল-খাওয়ারিজ” বলে উল্লেখ করে পাকিস্তান সরকার।

We’re now on WhatsApp- Click to join

বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে ইসলামাবাদ, বাজাউর ও বান্নুর ইমাম বারগাহে বোমা হামলা সহ সাম্প্রতিক আত্মঘাতী হামলার পর এটাই ছিল প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ। পবিত্র রমজান মাসে এই হামলার ফলে উঠেছে নিন্দার ঝড়, তবে পাক সরকার জানিয়েছে, এর পিছনে ছিল একটি উদ্দেশ্য এবং সেটা হল পাক বাসিন্দাদের সুরক্ষা সুনিশ্চিত করা। কোথায় হামলা হয়ে, তা পাক সরকারের তরফে স্পষ্ট না করা হলেও, সূত্রের খবর হামলা চলে পাকতিকা প্রদেশের বারমাল আকাশ পথে৷

We’re now on Telegram- Click to join

পাকিস্তান দাবি করেছে যে, তাদের কাছে যথেষ্ট সুনির্দিষ্ট প্রমাণ রয়েছে যে আফগানিস্তানে অবস্থিত নেতৃত্ব এবং অপারেটরদের নির্দেশে পরিচালিত হয়েছিল এই হামলাগুলি। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে, আফগানিস্তানে অবস্থিত টিটিপি ও আইএসকেপি এর দায় স্বীকার করেছে। পাকিস্তান জানিয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়েছিল নির্বাচিতস্থানে। তালেবান জানিয়েছে, বালোচ কর্মী মীর ইয়ার বালোচ এই হামলার ব্যাপক সমালোচনা করেছেন। তিনি সমাজ মাধ্যমে লিখেছেন পাকিস্তানের কাপুরুষ সেনাবাহিনী আবারও লঙ্ঘন করেছে আফগানিস্তানের আকাশসীমা এবং পাকতিকা প্রদেশের বারমাল জেলায় চালিয়েছে ড্রোন ও বিমান হামলা। তার মতে, একটি ধর্মীয় মাদ্রাসাকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে এই হামলাগুলি। এটিকে “দমনমূলক সামরিক পদক্ষেপ” বলে অভিহিত করেছেন মীর ইয়ার বালোচ এবং তিনি বলেছেন যে এই ধরনের পদক্ষেপ অঞ্চলে আরও সমস্যা বাড়িয়ে তুলবে। তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে, রমজানের আগে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন।

আফগানিস্তান সীমান্তে পাক হামলা

এই হামলার আগে খাইবার পাখতুনখোয়ার বান্নু জেলায় হয়েছিল একটি আত্মঘাতী হামলা। পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর মিডিয়া শাখা আইএসপিআর অনুসারে, একটি গোয়েন্দা অভিযানের সময় একটি সেনা কনভয় লক্ষ্যবস্তুতে হয়েছিল হামলা চালানো। এই হামলায় নিহত হন ১জন লেফটেন্যান্ট কর্নেল ও ১জন সৈনিক। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, নিহত হয়েছে পাঁচজন জঙ্গি, কিন্তু একটি সেনাবাহিনীর গাড়িতে একটি বিস্ফোরক ডিভাইস আঘাত হানে, যার ফলে ঘটে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা। ১৬ই ফেব্রুয়ারি বাজাউরেও হয় একটি বড় আত্মঘাতী হামলা হয়, যেখানে ১১ জন পাকিস্তানি সেনা, একজন মেয়ে নিহত হয় এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়।

Read More- রমজানের প্রথম দিনই মর্মান্তিক বিস্ফোরণ পাকিস্তানে, বহুতলের একটি অংশ ধসে মৃত কমপক্ষে ১৬, আহত অনেকেই

পাকিস্তান সীমান্ত পেরিয়ে হামলা চালানোর ঘটনা এই প্রথম নয়। গত বছর আফগানিস্তানের খোস্ত, কুনার ও পাকটিকা প্রদেশে পাওয়া গিয়েছিল বিমান হামলার খবর। সে সময় কাবুল বোমা হামলার জন্য দায়ী করেছিল পাকিস্তানকে, যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে তা নিশ্চিত করেনি ইসলামাবাদ। ২০২১ সালে আফগান তালেবান ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে ক্রমাগত সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। সাধারণ হয়ে উঠেছে সীমান্ত সংঘর্ষ।

এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।

Back to top button