India-Bangladesh: তেল সঙ্কট থেকে এবার বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ালো ভারত! মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতে ৫,০০০ টন ডিজেল পাঠিয়ে সাহায্য ঢাকাকে
জ্বালানি তেলের মজুদ স্বাভাবিক রাখতেই এবং দেশজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতেই বাংলাদেশ সরকার জরুরিভিত্তিতে তেল চেয়েছিল ভারতের থেকে।
India-Bangladesh: ইরান যুদ্ধের মাঝেই বাংলাদেশকে এবার তেল সঙ্কট থেকে উদ্ধার করল ভারত!
হাইলাইটস:
- ইরান ও পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের কারণে এবার জ্বালানি সঙ্কটে বাংলাদেশ
- এই দুর্দিনে বাংলাদেশকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল ভারত
- বাংলাদেশে বিপুল পরিমাণ ডিজেল সরবরাহ করা হয়েছে ভারত থেকে
India-Bangladesh: ইরান এবং পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের কারণে ওপার বাংলায় জ্বালানি সঙ্কটে। এহেন দুর্দিনে বাংলাদেশকে এবার সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল ভারত। গতকাল ভারত থেকে ৫,০০০ টন ডিজেল পাঠানো হয় বাংলাদেশে। এই তেলটি অবশ্য ভারত-বাংলাদেশ চুক্তির অধীনেই পাঠানো হয়েছে বলে স্পষ্ট করেছে ভারত সরকার।
We’re now on Telegram- Click to join
জ্বালানি তেলের মজুদ স্বাভাবিক রাখতেই এবং দেশজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতেই বাংলাদেশ সরকার জরুরিভিত্তিতে তেল চেয়েছিল ভারতের থেকে। ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ সরবরাহ করা হয়েছে ডিজেল। রিপোর্ট অনুসারে, ভারত থেকে পাঠানো হয়েছে ৫,০০০ টন ডিজেল, যা নিয়মিত জ্বালানি চুক্তির অংশ দুই দেশের মধ্যে।
We’re now on WhatsApp- Click to join
বাংলাদেশের পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ রেজানুর রহমান এদিন স্পষ্ট নিশ্চিত করেছেন যে, এই ডিজেল সরবরাহ ১৮০০০০ টন বার্ষিক ডিজেল সরবরাহ চুক্তির অংশ। তিনি বলেছেন, “আমাদের ভারতের সাথে চুক্তি রয়েছে এবং আগামী ছয় মাসে অন্তত আমদানি করতে হবে ৯০,০০০ টন ডিজেল। এই ৫,০০০ টন এরই অংশ।” এই আবহেই ভারতের অসমের নুমালিগড় তেল শোধনাগার থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে সেই ডিজেলই সরবরাহ করা হয়।

ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারত ডিজেল সরবরাহ করছে, যা ২০১৭ সালে কার্যকর করা হয়। ফুয়েলটি বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সরবরাহ করা হচ্ছে নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড থেকে। অতিরিক্ত ডিজেল বাংলাদেশ চাইলেও ভারতের সরকার বলেছে, তা বাজার এবং জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির ওপরই নির্ভর করবে। আর এমনিতেও এ বছরের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে ১ লক্ষ ৮০ হাজার টন ডিজেল আমদানির চুক্তি ছিল ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে। তবে ইউনূস জমানায় ঢাকা এবং দিল্লি সম্পর্কের টানাপড়েনে তা বন্ধ ছিল।
মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক উত্তেজনার কারণে বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহে তৈরি হয়েছে চাপ। হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল যায় বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ায় বাংলাদেশ এবং অন্যান্য দেশগুলোর জ্বালানি বাজারও এবার প্রভাবিত হয়েছে।
এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।







