Earthquake-Kolkata: ভূমিকম্পে কেঁপে উঠছে চতুর্দিক! নিরাপদে নেই কলকাতাও, “হাই রিস্ক”-এ রয়েছে কোন কোন এলাকা?
ভূবিজ্ঞানীদের মতে, রিখটার স্কেল অনুযায়ী ৪.৯ মাত্রা পর্যন্ত ভূমিকম্পের কম্পনকে মৃদু কম্পন বলা হয়। আবার ৫ থেকে ৬.৯ মাত্রা পর্যন্ত কম্পনকে মাঝারি বলা হয় এবং ৭ থেকে ৭.৯ মাত্রা পর্যন্ত কম্পনকে বলা হয় তীব্র ভূমিকম্প।

Earthquake-Kolkata: ঠিক কতটা ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল শহর কলকাতা? জেনে নিন বিস্তারিত
হাইলাইটস:
- গত সপ্তাহে ভয়ঙ্কর ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে মায়ানমারের মাটি
- ভেঙে পড়েছে একাধিক বহুতল থেকে মসজিদ
- এই আবহে একাধিক প্রশ্ন জাগছে কলকাতাবাসীর মনেও
Earthquake-Kolkata: গত শুক্রবারই তীব্র ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ভারতের প্রতিবেশী রাষ্ট্র মায়ানমার। রিখটার স্কেলে তখন কম্পনের মাত্রা ৭.৭ ছিল। সেই ভূমিকম্পেরই কিছুটা রেশ এসেছিল শহর কলকাতাতেও। শুক্রবারের তীব্র ভূমিকম্পের জেরে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে মায়ানমারের মাটি। তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে মসজিদ থেকে শুরু করে একাধিক বহুতল।
কতটা ভূমিকম্প প্রবণ শহর কলকাতা?
ভূবিজ্ঞানীদের মতে, রিখটার স্কেল অনুযায়ী ৪.৯ মাত্রা পর্যন্ত ভূমিকম্পের কম্পনকে মৃদু কম্পন বলা হয়। আবার ৫ থেকে ৬.৯ মাত্রা পর্যন্ত কম্পনকে মাঝারি বলা হয় এবং ৭ থেকে ৭.৯ মাত্রা পর্যন্ত কম্পনকে বলা হয় তীব্র ভূমিকম্প। এছাড়া, ৮ মাত্রার বেশি হলে কম্পন অনুভূত হলে সেটিকে বলা হয় অতি তীব্র ভূমিকম্প। গত শুক্রবার ৭.৭ মাত্রার তীব্র ভূমিকম্পে মায়ানমারে আঘাত হানে। এই জেরে একাধিক প্রশ্ন জেগে উঠছে কলকাতাবাসীর মনে।
We’re now on Telegram- Click to join
তীব্র ভূমিকম্প আঘাত হানলে কী মায়ানমারের মতোই দশা হবে কলকাতার? তাসের ঘরের মতোই কী হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়বে কলকাতার বহুতল?
GSI-র ডেপুটি ডিরেক্টর শৈবাল ঘোষের মতে, ভূমিকম্প প্রবণ এলাকা উত্তরবঙ্গের হিমালয় পর্বত অঞ্চল। এই অঞ্চলে যদি ভূমিকম্প হয় তাহলে কেঁপে উঠতে পারে শহর কলকাতাও।
পূর্বে উত্তরবঙ্গ, নেপাল, সিকিমের একাধিক ভূমিকম্পের রেশ এসে পড়েছিল কলকাতাতেও। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কলকাতার ক্ষেত্রে কম্পনের রিস্ক খুব একটা কম নেই। ৭.৭ বা ৮ মাত্রার ভূমিকম্প কলকাতায় না হলেও, অন্য জায়গার প্রভাব এসে পড়তে পারে কলকাতায়। ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে সাধারণ মানুষ।
We’re now on WhatsApp- Click to join
কোন এলাকায় ভূমিকম্পের প্রভাব কতটা হতে পারে সেই বিষয়টি নিয়ে খড়গপুর আইআইটি ২০১৫ সালে আয়োজন করে একটি সমীক্ষার। সাইসমিক জোনের (২,৩,৪,৫) এই চারটি বিভাগের মধ্যে সবথেকে কম ঝুঁকিপূর্ণ হল জোন ২। সমীক্ষা অনুসারে, সব থেকে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে জোন ৫। সমীক্ষা রিপোর্টে ৩ ও ৪ নম্বর জোনের মধ্যবর্তী অংশে কলকাতার স্থান হয়েছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই কলকাতায় ভূমিকম্পের ঝুঁকি পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়ার মতো বিষয় নয়।
প্রসঙ্গত, আইআইটি খড়্গপুরের একটি রিপোর্ট অনুসারে, কলকাতায় ভূমিকম্প হলে সবথেকে বেশি পার্কস্ট্রিট, নিউটাউন, নোয়াপাড়া, রাজারহাট, সল্টলেক, সিঁথি, দক্ষিণদাড়ি, নাগেরবাজার, গোপালপুর, তেঘরিয়া, দমদম, বেরাবেরি, দুর্গানগর, মহিষবাথান এলাকা ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। এছাড়াও, বড় ক্ষতির মুখোমুখি হতে পারে বকডোবা, বেলুড়, শ্যামবাজার, বরাহনগর, দেওরা, ধাপা, গোবরা। আর বেহালা, রাজডাঙা, কোনা, বালি, মহেশতলা, আলিপুর, মেটিয়াবুরুজ, যাদবপুর, ঢাকুরিয়া, ঠাকুরপুকুর, কালীঘাট, সাতঘড়াতেও মাঝারি আকারের ভূমিকম্পও হানা দিতে পারে।
এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।