Bangla Newslifestyle

Bidhan Chandra Roy: প্রথম বাঙালি হিসাবে ‘ভারতরত্ন’ পেয়েছিলেন বিধানচন্দ্র রায়, জেনে নিন তাঁর দীর্ঘ জীবনের বর্নময় গল্প

কিন্তু তাঁর কর্মজীবন ছিল একেবারে বর্নময়। একের পর এক কীর্তি অবিস্মরণীয় করে তুলেছে বিধানচন্দ্র রায়কে। এমনকি তিনিই হলেন প্রথম বাঙালি যিনি 'ভারতরত্ন' পেয়েছিলেন।

Bidhan Chandra Roy: পশ্চিমবঙ্গের রূপকার বিধানচন্দ্র রায়ের অসমান্য অবদানের কীর্তি সম্পর্কে জানুন

হাইলাইটস:

  • একাধিক অবদান রেখেছেন বিধানচন্দ্র রায়
  • ‘ভারতরত্নে’ ভূষিত হয়েছিলেন বিধানচন্দ্র রায়
  • আজ দেশজুড়ে পালন হবে চিকিৎসক দিবস

Bidhan Chandra Roy: নব কলকাতার রূপকার ডাক্তার বিধানচন্দ্র রায়ের একই দিনে জন্ম এবং মৃত্যুও বিধানচন্দ্র রায়ের সঙ্গে এক অদ্ভুত সমাপতন জড়িয়ে রয়েছে। তাঁকে ঘিরে রয়েছে একাধিক কাহিনী। শোনা যায় যে, বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নাকি কোনও দিন চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্নই দেখেননি।

We’re now on WhatsApp- Click to join

কিন্তু তাঁর কর্মজীবন ছিল একেবারে বর্নময়। একের পর এক কীর্তি অবিস্মরণীয় করে তুলেছে বিধানচন্দ্র রায়কে। এমনকি তিনিই হলেন প্রথম বাঙালি যিনি ‘ভারতরত্ন’ পেয়েছিলেন। কেবল তাই নয়, ১লা জুলাই গোটা দেশজুড়ে পালিত হয় চিকিৎসক দিবস।

We’re now on Telegram- Click to join

১৮৮২ সালের ১লা জুলাই পাটনার বাকিপুরে জন্মদিন বিধানচন্দ্র রায়ের। বাবা ছিলেন প্রকাশচন্দ্র রায় এবং মা ছিলেন অঘোরকামিনী দেবী। তাঁদের ছয় সন্তানের মধ্যে বিধানচন্দ্র রায় ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ। ছোটবেলা থেকেই তিনি পড়াশোনাতে ভালো ছিলেন। প্রথমে পাটনার টি কে ঘোষ ইনস্টিটিউশন থেকে পড়াশোনা করেন এরপর পাটনার কলেজিয়েট স্কুল থেকে তাঁর পড়াশোনা হয় এবং সেখান থেকেই উত্তীর্ণ হন এফএ পরীক্ষাতে।

যদিও পরে তিনি পাটনা কলেজ থেকে অঙ্কে সাম্মানিকসহ বিএ পাস করেন। আর এর ঠিক পরেই কলকাতাতে চলে আসেন তিনি। পড়াশোনা শুরু করেন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে। খুব অল্প বয়সেই তিনি এলএমএস এবং এর ঠিক দু’বছর পর এমডি ডিগ্রি লাভ করেন। তবে উচ্চশিক্ষার জন্যে তিনি লন্ডনে যান। মাত্র কয়েক বছরেই এমআরসিপি (লন্ডন) এবং এফআরসিএস (ইংল্যান্ড) পরীক্ষায় সসম্মানে উত্তীর্ণ হন তিনি।

তিনজন দেশে ফিরে মহাত্মা গান্ধীর চিকিৎসক হিসাবেও কাজ করেন। এর পাশাপাশি কলকাতায় ক্যাম্পবেল মেডিক্যাল স্কুল (নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজে) -এ চিকিৎসকের কাজ শুরু করেন। এবং সেখানেই অধ্যাপনার কাজও করেন।

এরই সাথে স্বাধীনতা সংগ্রামেও তিনি অংশ নিয়েছিলেন। তবে সময় বদলানোয় ধীরে ধীরে চিত্তরঞ্জন দাশের প্রভাবে রাজনীতিতে আসেন বিধানচন্দ্র রায়। রাজনীতিতে পা রেখেই বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক সভার নির্বাচনে পরাজিত করেন সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এর পরে কলকাতা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক এবং কলকাতা পৌরসংস্থার মেয়র হিসাবে নির্বাচিত হন তিনি।

এরপর তিনি একের পর আন্দোলনে যোগ দেন। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবেও দায়িত্ব নেন বিধানচন্দ্র রায়। ১৯৪৮ সাল থেকে আমৃত্য অবধি ওই পদেই ছিলেন তিনি। অনেকেই বলেন তাঁর জমানায় রাজ্যে ব্যাপক উন্নতি হয়েছিল। তাঁকে পশ্চিমবঙ্গের রূপকার বলেও অভিহিত করা হয়।

৪টি নতুন শহর বিধাননগর, দূর্গাপুর, কল্যাণী এবং অশোকনগর-কল্যাণগড় তৈরি হয়। স্বাস্থ্য সহ একাধিক ক্ষেত্রে তাঁর কাজ আজও তাঁকে মনে রেখেছে। কে তাই নয়, বাংলার গণ্ডি পেরিয়ে গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে সুখ্যাতি।

Read More- ডঃ বি আর আম্বেদকরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জেনে নিন তাঁর জীবনের সংগ্রাম এবং অবদান সম্পর্কে বিশদ

এদিকে ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দে ভারতের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ‘ভারতরত্নে’ ভূষিত হন তিনি। রাজনৈতিক নেতা, চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ, মানবদরদী এবং সমাজকর্মী হিসাবে অসমান্য অবদান রাখার জন্যে তাঁকে এই সম্মান দেওয়া হয়।

এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।

Back to top button