Bhangar Blast: আচমকাই বিস্ফোরণ ভাঙরে! কেঁপে উঠল এলাকা, আইসিইউতে গুরুতর জখম অবস্থায় ভর্তি ৩ শিশু
দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয় কলকাতার এম আর বাঙ্গুর হাসপাতাল-এ। বর্তমানে তিনজনকেই ভর্তি করা হয়েছে বান ওয়ার্ডের আইসিইউতে বলে জানা গিয়েছে হাসপাতাল সূত্রে।
Bhangar Blast: বিস্ফোরণের তীব্র অভিঘাতে আহত ৩ শিশু, আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক
হাইলাইটস:
- রাস্তা মেরামতির কাজ চলছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙরে
- এসময় হঠাৎই কেমিক্যাল ভর্তি একটি ড্রামে ঘটে বিস্ফোরণ
- বিস্ফোরণের ফলে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হয় তিন শিশু
Bhangar Blast: দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙরের খড়গাছি চাঁদপুর এলাকায় পিচ রাস্তা মেরামতির কাজ চলাকালীনই আচমকাই বিস্ফোরণের ঘটে একটি কেমিক্যাল ভর্তি ড্রামে। বিস্ফোরণের সময় ঘটনাস্থলের কাছেই তিন শিশু খেলছিল। বিস্ফোরণের অভিঘাতে গুরুতর জখম হয় তিনজনই।
We’re now on WhatsApp- Click to join
দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয় কলকাতার এম আর বাঙ্গুর হাসপাতাল-এ। বর্তমানে তিনজনকেই ভর্তি করা হয়েছে বান ওয়ার্ডের আইসিইউতে বলে জানা গিয়েছে হাসপাতাল সূত্রে।
আহত এই তিন শিশুদের নাম, রায়ান মোল্লা (৯), সাদিকুল আহমেদ (৮), সামিউল মোল্লা (১০)। অর্থাৎ আহতদের প্রত্যেকরই বয়স ৮-১০-এর মধ্যেই। হাসপাতাল সূত্রের খবর, সাদিকুল আহমেদের অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক। অন্য দুই শিশু গুরুতর জখম হয়েই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
We’re now on Telegram- Click to join
আহতদের পরিবারের অভিযোগ যে, স্কুল ছুটি হওয়ার পরই ওই এলাকাতেই তিন শিশু খেলছিল। সেই সময় রাস্তা মেরামতির কাজ চলছিল। রাস্তার পাশেই রাখা ছিল লাইট ডিজেল অয়েল ভর্তি একটি ড্রাম। একটি কেমিক্যাল ভর্তি ড্রামে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। ড্রামটিতে আগুন লাগার জেরেই হঠাৎ সেটিতে বিস্ফোরণ ঘটে। দাহ্য পদার্থ জ্বলন্ত অবস্থায় ছিটকে এসে পড়ে শিশুদের উপরে। ঘটনাস্থলেই তাঁরা শুয়ে পড়ে মাটিতে। স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, একটি শিশু তীব্র জ্বালা থেকে বাঁচতে লাফিয়ে পড়েছিল পুকুরেও। তড়িঘড়ি, উদ্ধার করে তাঁদের প্রত্যেককেই ভর্তি করা হয় হাসপাতালে।

ঘটনার পর আহত শিশুদের দেখতে হাসপাতালে পৌঁছান স্থানীয় প্রতিনিধি শওকত মোল্লা। পরে রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস-এবং হাসপাতালে এসে পরিবারের সাথে কথা বলেন এবং সবরকম সহায়তার জন্য আশ্বাস দেন।
Read More- এমএ, পিএইচডি পাশ করাও দাঁড়িয়ে যুবসাথীর লাইনে, রয়েছেন ডাক্তারি পড়ুয়ারাও!
ঘটনার জেরে আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়। কীভাবে রাস্তার কাজের সময় এহেন বিপজ্জনক কেমিক্যাল ড্রাম খোলা অবস্থায় রাখা হয়েছিল ঘটনাস্থলে? তা নিয়েই উঠছে একাধিক প্রশ্ন। বিষয়টি খতিয়ে দেখতেই প্রশাসনের তরফে তদন্ত শুরু হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে।
এদিকে মূলত, লাইট ডিজেল অয়েল দিয়েই রাস্তার পিচ এবং অ্যাসফাল্টকে গলিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু কোনও ভাবে এই ড্রামে আগুন লেগে যেতেই বিপদ ঘটে যায়।
এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।







