Ayatollah Ali Khamenei Dead: ইরানে মৃত্যু খামেনেইয়ের, এবার খামেনেইয়ের উত্তরসূরি আলিরেজা আরাফি, ঘোষণা করল তেহরান!
এতদিন অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টসের ডেপুটি চেয়ারম্যান ছিলেন আলিরেজা আরাফি, সেই সাথে ইরানের শিক্ষামন্ত্রকের প্রধানের দায়িত্বও তিনি সামলেছেন। এবার লিডারশিপ কাউন্সিলের সদস্য হয়েছেন আলিরেজা আরাফি।
Ayatollah Ali Khamenei Dead: জানেন আসলে কে এই আলিরেজা আরাফি? এখনই জেনে নিন তাঁর সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য
হাইলাইটস:
- ইরানের অন্তর্বর্তী সর্বোচ্চ নেতা হিসাবে বেছে নেওয়া হয়েছে আলিরেজা আরাফিকে
- বর্তমানে তিনি ইরানের লিডারশিপ কাউন্সিল-এর সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন
- আজ এই প্রতিবেদনে জানুন ইরানের লিডারশিপ কাউন্সিলের সদস্য আরাফি কে?
Ayatollah Ali Khamenei Dead: সম্প্রতি, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লা খামেনেইয়ের মৃত্যুর পরে ইরানের অন্তর্বর্তী সর্বোচ্চ নেতা হিসাবে আলিরেজা আরাফিকে বেছে নেওয়া হয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লা খামেনেইয়ের মৃত্যুর পরে বর্তমানে ইরানের লিডারশিপ কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আলিরেজা আরাফিকে।
We’re now on WhatsApp- Click to join
এতদিন অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টসের ডেপুটি চেয়ারম্যান ছিলেন আলিরেজা আরাফি, সেই সাথে ইরানের শিক্ষামন্ত্রকের প্রধানের দায়িত্বও তিনি সামলেছেন। এবার লিডারশিপ কাউন্সিলের সদস্য হয়েছেন আলিরেজা আরাফি। ওই কমিটিতে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেসকিয়ান ও বিচারব্যবস্থার প্রধান মহসেনি এজেইয়ের সাথে কাজ করবেন আলিরেজা আরাফি, এমনটাই বলা হয়েছে রিপোর্টে।
We’re now on Telegram- Click to join
এই আলিরেজা আরাফি কে?
ইরানের প্রবীণ ধর্মীয় নেতা ও ইরানের রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি হলেন আলিরেজা আরাফি। আলিরেজা আরাফিকে আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের ঘনিষ্ঠ বলেও মনে করা হত। ইরানে ইসলামিক বিপ্লবের আগে ধর্ম প্রচারক এবং লেখক ছিলেন তিনি। পরে বিভিন্ন পদে কাজ করেছেন আলিরেজা আরাফি। এমনকি, খামেনেইয়ের মৃত্যুর আগেও তাঁকে অন্যতম উত্তরসূরি হিসাবেই মনে করা হত।
আয়াতুল্লাহ আলিরেজা আরাফি ইরানের অন্তর্বর্তীকালীন সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালন করবেন। pic.twitter.com/tgR2YjubRc
— Sagor Ahmed (@sagor_aahmed_) March 1, 2026
এছাড়াও এর আগে আল মুস্তাফা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনি প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ইরানে খামেনেইয়ের মৃত্যুর পরে ভারত-ইরান সম্পর্ক কোন দিকে মোড় নেবে তা নিয়েও রয়েছে বিরাট প্রশ্ন। পাকিস্তান ইস্যু-সহ একাধিক ইস্যুতেই ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছিল ইরান, কিন্তু খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর অবস্থার ঠিক কতটা পরিবর্তন হয় সেটাই দেখার অপেক্ষা।
এদিন প্রথমে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছিলেন আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনেইয়ের মৃত্যু হয়েছে। প্রথমে অস্বীকার করা হলেও রবিবার সকালে সেই খবরই নিশ্চিত করেছে তেহরান। খামেনেইয়ের মৃত্যুতে শোকাহত ইরান। ইরানের এক সরকারি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দেশ জুড়ে ঘোষণা করা হয়েছে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক।
ইজরায়েলের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, খামেনেইয়ের আস্তানায় অন্ততপক্ষে ফেলা হয়েছে ৩০টি বোমা। স্যাটেলাইট চিত্রেও খামেনেইয়ের কার্যালয়ের বাসভবনে ভয়াবহ ধ্বংসলীলার ছবিও ধরা পড়েছে। জানা যাচ্ছে, নিজের অফিসে বসেই কাজ করছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। আচমকাই সেখানে বোমা এসে পড়ে। এদিন তাঁর সাথে মৃত্যু হয় তাঁর কন্যা, জামাই এবং নাতনিরও।
এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।







