Ajit Pawar Plane Crash: খারাপ আবহাওয়াই কি কেড়ে নিল অজিত পওয়ারের প্রাণ? কী কী কারণে বিমান দুর্ঘটনা হতে পারে জেনে নিন
জানা যাচ্ছে, অজিত পওয়ারকে বারামতীতে নিয়ে যাওয়া বিমানটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর ছিল VT-SSK। এই বিমানটি বর্তমানে VSR অ্যাভিয়েশন দ্বারা পরিচালিত ছিল। দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানটি ছিল একটি Learjet 45XR।
Ajit Pawar Plane Crash: বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ কেড়েছে মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারের
হাইলাইটস:
- মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ার বারামতী এলাকায় একটি বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন
- এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার খবর সারা দেশে শোকের পরিস্থিতি তৈরি করেছে
- কিন্তু বারবার কেন বিমান দুর্ঘটনার সাক্ষী থাকতে হচ্ছে?
Ajit Pawar Plane Crash: মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারের বিমান দুর্ঘটনায় মর্মান্তিকভাবে নিহত হওয়ার খবর এখন সারা দেশে শোকের পরিস্থিতি তৈরি করেছে। জানা যাচ্ছে, অজিত পওয়ারকে বারামতীতে নিয়ে যাওয়া বিমানটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর ছিল VT-SSK। এই বিমানটি বর্তমানে VSR অ্যাভিয়েশন দ্বারা পরিচালিত ছিল। দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানটি ছিল একটি Learjet 45XR।
We’re now on WhatsApp – Click to join
এই বিমান দুর্ঘটনার পর সকলের মনে একটাই প্রশ্ন জাগছে যে, ভুলটা কোথায় হল? বিমান বিশেষজ্ঞদের মতে, টেকঅফ এবং ল্যান্ডিং হল এমন দুটি মুহূর্ত যখন পাইলটরা সবচেয়ে বেশি চাপের মধ্যে থাকেন। রানওয়ের অবস্থা, বাতাসের গতি, বিমানের গতি, উচ্চতা এবং নিয়ন্ত্রণ সব কিছুই প্রতি সেকেন্ডেই পরিবর্তিত হয়। এমন পরিস্থিতিতে একটি ছোট ভুলও বিমান দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
Ajit Pawar, Maharashtra Deputy CM has not survived the crash of the plane he was flying in reports PTI & other agencies. Dramatic and horrific images have emerged of how the plane exploded as its pilots attempted to crash land it. More details are awaited @themojostory . Tragic… pic.twitter.com/waw0P7CkUB
— barkha dutt (@BDUTT) January 28, 2026
খারাপ আবহাওয়া: বৃষ্টি, কুয়াশা এবং তীব্র বাতাস বিমান অবতরণের সময় সবচেয়ে বেশি অসুবিধা সৃষ্টি করতে পারে। তাছাড়া তীব্র বাতাস বিমানের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। এদিকে বৃষ্টি রানওয়ে পিচ্ছিল করে তুলতে পারে এবং ব্রেকিং দূরত্বও বৃদ্ধি করতে পারে। ফলে যদি আবহাওয়ার অবনতি হয় এবং জোর করে বিমান অবতরণের চেষ্টা করা হয়, তাহলে ঝুঁকি দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
রানওয়ের দৃশ্যমানতা: বিমান অবতরণের সময় পাইলটের পক্ষে রানওয়ের দৃশ্যমানতা অর্থাৎ আলো এবং চিহ্নগুলি স্পষ্টভাবে দেখা দরকার। কুয়াশা কিংবা উইন্ডশিল্ডে বৃষ্টির ফোঁটা জমা অথবা বিমানবন্দরের আলো ব্যবস্থার সমস্যা থাকলে পাইলটের দেখার ক্ষমতা বাধাগ্রস্ত করে তুলতে পারে, যার ফলে বিমানটি রানওয়ে থেকে সরে যেতে পারে এবং দুর্ঘটনারও ঘটতে পারে।
হার্ড ল্যান্ডিং: একটি সাধারণ অবতরণের সময় বিমানটি প্রথমে মাটিতে আলতো করে স্পর্শ করে। তবে, যদি গতি খুব বেশি হয় বা কোনও ভুল হয় অথবা পাইলট খুব দেরিতে ল্যান্ড করেন, তাহলে বিমানটি জোরে মাটিতে আঘাত করে। এর ফলে দেখা যায়, ল্যান্ডিং গিয়ার ভেঙে যেতে পারে বা বিমানটি লাফিয়ে উঠতে পারে। এটি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ায়।
পাইলটের ভুল: বিশেষজ্ঞদের মতে, বিমান চলাচলে একটি নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। এর অর্থ হল, যদি অবতরণের পরিস্থিতি অনুপযুক্ত বলে মনে হয়, তাহলে পাইলটের বিমানটিকে আবার উপরে তোলা উচিত এবং দ্বিতীয়বার ল্যান্ডের চেষ্টা করা উচিত।
Read more:- প্রয়াত মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার, বিমান দুর্ঘটনায় উপ-মুখ্যমন্ত্রী সহ পাঁচজন প্রাণ হারিয়েছেন
কারিগরি ত্রুটি: বিশেষজ্ঞদের মতে, অবতরণের সময় অনেক সিস্টেম একসঙ্গে কাজ করে। ল্যান্ডিং গিয়ার, ফ্ল্যাপ, ব্রেক, রিভার্স থ্রাস্ট- এই সিস্টেমগুলির যে কোনও একটি যদি ব্যর্থ হয়, তাহলে নিরাপদে অবতরণ করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। এমনকি এটি দুর্ঘটনার কারণও হতে পারে।
এই রকম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।







