Air Ambulance Crash: কলকাতা এটিসি-র সাথে যোগাযোগ করা হয়েছিল, আগুনে পোড়া রোগীর প্রাণ বাঁচাতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল দিল্লিতে, এর বদলে নামল মৃত্যুর কালো ছায়া!
ডিজিসিএ-এর এক তথ্য অনুসারে রাঁচি থেকে দিল্লির উদ্দেশ্যে বিমানটি সন্ধ্যা ৭:১১ মিনিটে উড়েছিল৷ ওড়ার পরই সন্ধ্যা ৭:৩৪ মিনিটে হঠাৎ করেই বিমানের ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের (এটিসি) সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
Air Ambulance Crash: ঠিক কীভাবে বিচ্ছিন্ন হল যোগাযোগ, কেন ভেঙে পড়ল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিমানটি? চলে গেল সাতটি প্রাণ
হাইলাইটস:
- গতকাল আচমকাই ভেঙে পড়ে দিল্লিগামী বিমান
- কীভাবে এবং কখন ঘটেছিল এই দুর্ঘটনা?
- এই দুর্ঘটনার কারণ কী? জেনে নিন বিস্তারিত
Air Ambulance Crash: সম্প্রতি অজিত পাওয়ারের বিমান দুর্ঘটনার পর, ফের ঘটেছে বিমান দুর্ঘটনা। গতকাল সন্ধ্যায় রাঁচি থেকে দিল্লিগামী একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনার মুখোমুখি হয়।
এই দুর্ঘটনা কীভাবে এবং কখন ঘটেছিল?
ডিজিসিএ-এর এক তথ্য অনুসারে রাঁচি থেকে দিল্লির উদ্দেশ্যে বিমানটি সন্ধ্যা ৭:১১ মিনিটে উড়েছিল৷ ওড়ার পরই সন্ধ্যা ৭:৩৪ মিনিটে হঠাৎ করেই বিমানের ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের (এটিসি) সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বিমান কর্তৃপক্ষ সাথে সাথেই হাই অ্যালার্ট জারি করে। ছত্রা জেলার সিমারিয়া থানা অন্তর্গত কর্মাতন্দ গ্রামের কাছেই একটি জঙ্গলে ভেঙে পড়ে বিমানটি। স্থানীয়রা জানিয়েছে, জঙ্গল থেকে শোনা যায় বিকট শব্দ এবং দেখা যায় ধোঁয়া উঠতে। এরপর ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ এবং জেলা প্রশাসন।
We’re now on WhatsApp- Click to join
কীভাবে হয়েছিল তল্লাশি অভিযান চালানো?
যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরই, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি একটি বিশাল অনুসন্ধান এবং উদ্ধার অভিযান শুরু করে। রাডার তথ্য ও বিমানের শেষ অবস্থানের ভিত্তিতে চালানো হচ্ছে অনুসন্ধান। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে, পুলিশ বাহিনী এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দল এই অভিযানে জড়িত যৌথভাবে। খবর সূত্রে, ED CAP (জরুরি ডেটা সেন্ট্রালাইজড অ্যাকশন প্ল্যান) পর্যবেক্ষণ করছে পুরো ঘটনাটি।
We’re now on Telegram- Click to join
এই দুর্ঘটনার কারণ কী?
রাঁচি থেকে দিল্লিগামী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিমান দুর্ঘটনার কারণ এখনও অবধি স্পষ্ট নয়। বর্তমানে তদন্তাধীন দুর্ঘটনার কারণ। দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে প্রকাশ করা হবে অফিসিয়াল তথ্য পূর্নাঙ্গ তদন্তের পরেই। তবে কিছু কিছু প্রতিবেদনে স্থানীয় খারাপ আবহাওয়াকেই দায়ি করা হচ্ছে।
ডিজিসিএ কী বলছে?
একটি বিবৃতি জারি করে সিভিল এভিয়েশন ডিরেক্টরেট জেনারেল (ডিজিসিএ) জানিয়েছে যে রেড বার্ড এয়ারওয়েজ প্রাইভেট লিমিটেডের একটি বিচক্রাফ্ট সি৯০ বিমান রাঁচি থেকে দিল্লি রুটে পরিচালনা করছিল একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স। বিমানটি বিধ্বস্ত হয় ঝাড়খণ্ডের ছত্রা জেলার কাসারিয়া পঞ্চায়েতে। বিমানটিতে ছিলেন ৭জন আরোহী, যার মধ্যে ক্রু সদস্যও ছিলেন দুইজন।
Council of Indian Aviation expresses grief over Redbird Airways air ambulance crash
Read @ANI Story |https://t.co/PZ4uBmPTa6#RedbirdAirways #Aviation #Simaria pic.twitter.com/99LtU3fYyv
— ANI Digital (@ani_digital) February 24, 2026
কেন কলকাতা এটিসির সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হল?
রাঁচি থেকে দিল্লিগামী যাত্রা করা এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিমানটি রাঁচি থেকে যাত্রা শুরু করে সন্ধ্যা ৭:১১ মিনিটে। খারাপ আবহাওয়ার কারণে কলকাতার সাথে যোগাযোগ স্থাপনের পর, বিমানটিকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করে। সন্ধ্যা ৭:৩৪ মিনিটে, কলকাতার প্রায় ১০০ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণ-পূর্বে বিমানটির যোগাযোগ এবং রাডারের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি কোন কোম্পানির?
এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি ছিল রেডবার্ড এয়ারওয়েজ প্রাইভেট লিমিটেডের। বিমানটির নিবন্ধন নম্বর VT-AJV ছিল। এটি ছিল একটি বিচক্রাফ্ট C90 বিমান।
বিমানে কারা ছিলেন?
বিমানটিতে ছিলেন দু’জন পাইলট।
১) ক্যাপ্টেন বিবেক বিকাশ বিলগাত
২) ক্যাপ্টেন সাওয়ারদীপ সিং
এছাড়াও বিমানে মোট পাঁচজন যাত্রী ছিলেন।
১) সঞ্জয় কুমার – রোগী
২) ধুরু কুমার – অ্যাটেনডেন্ট
৩) অর্চনা দেবী – অ্যাটেনডেন্ট
৪) ডাঃ বিকাশ কুমার গুপ্ত – ডাক্তার
৫) শচীন কুমার মিশ্র – প্যারামেডিক
Read More- খারাপ আবহাওয়াই কি কেড়ে নিল অজিত পওয়ারের প্রাণ? কী কী কারণে বিমান দুর্ঘটনা হতে পারে জেনে নিন
কেন এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি রাঁচি থেকে দিল্লিতে আসছিল?
পেট্রোলিয়াম পণ্যের আগুনে গুরুতরভাবে পুড়ে গিয়েছিলেন রোগী সঞ্জয় কুমার। দুর্ঘটনায় তার শরীর প্রায় ৬৩% পুড়ে গিয়েছিল। তাঁকে চিকিৎসার জন্য প্রথমে রাঁচির দেবকমল হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়, যেখানে তাকে দেওয়া হয় প্রাথমিক চিকিৎসা ও সহায়ক সেবা। তার ক্রিটিক্যাল অবস্থা বিবেচনা করে ডাক্তাররা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দিল্লির উন্নত হাসপাতলে রেফার করার জন্য পরামর্শ দেন। এরপরই তাঁকে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে৷
এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।







