lifestyle

1980s AI Photo Trend: এআই-এর সাহায্যে ৮০-র দশকের রেট্রো লুক তৈরি করছেন? ছবি আপলোড করার আগে এই ৫টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পড়ে নিন

এই এআই-নির্মিত ছবি এবং রেট্রো পোলারয়েডগুলো অনলাইনে ভাইরাল হচ্ছে, এবং সবাই এই ট্রেন্ডের অংশ হতে উদগ্রীব। কিন্তু আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন যে, এই অজানা এআই প্ল্যাটফর্মগুলোর হাতে আপনার আসল ছবি তুলে দেওয়া কতটা বিপজ্জনক হতে পারে?

1980s AI Photo Trend: ৮০-র দশকের লুক এআই টুলে যে ছবিটি ব্যবহার দিচ্ছেন সেই ছবির জন্য পরবর্তীতে সমস্যা হতে পারে

হাইলাইটস:

  • সোশ্যাল মিডিয়ায় ৮০-র দশকের রেট্রো লুক ভাইরাল হচ্ছে
  • এআই টুলের ব্যবহার বাড়লেও, আপনার ছবি আপলোড করা বেশ কিছু ডিজিটাল ঝুঁকিও তৈরি করতে পারে
  • ডিপফেক, ডেটা চুরি এবং গোপনীয়তা লঙ্ঘন, যেগুলো সবই গুরুতর ঝুঁকি এবং এ সম্পর্কে সচেতন থাকা প্রয়োজন

1980s AI Photo Trend: ৮০-র দশকের সোনালী যুগ আবারও ফিরে এসেছে। হ্যাঁ, সোশ্যাল মিডিয়ায় সবাই ৮০-র দশকের ভিন্টেজ এবং রেট্রো লুক পুনরায় তৈরি করছেন। সম্প্রতি, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা নিজেদেরকে ৮০-র দশকের স্টাইলিশ রকস্টার, ভিন্টেজ বলিউড তারকা, বা এমনকি সেই যুগের ট্রেন্ডি শাড়ি লুকে রূপান্তরিত করতে এআই টুল ব্যবহার করছেন।

We’re now on WhatsApp – Click to join

এই এআই-নির্মিত ছবি এবং রেট্রো পোলারয়েডগুলো অনলাইনে ভাইরাল হচ্ছে, এবং সবাই এই ট্রেন্ডের অংশ হতে উদগ্রীব। কিন্তু আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন যে, এই অজানা এআই প্ল্যাটফর্মগুলোর হাতে আপনার আসল ছবি তুলে দেওয়া কতটা বিপজ্জনক হতে পারে? আপনার এই শখটি অনেক গুরুতর ডিজিটাল বিপদ লুকিয়ে রাখে, যা আজ বোঝা অত্যন্ত জরুরি। চলুন, এই ঝুঁকিগুলোর কয়েকটি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

ডিপফেকের হুমকি

৮০-র দশকের লুক আনার জন্য আপনি এআই-কে যে আসল ছবিটি দেন, তা ব্যবহার করে এটি আপনার একটি নকল ভিডিও বা ছবি তৈরি করতে পারে যা দেখতে সম্পূর্ণ বাস্তবসম্মত, যা ডিপফেক নামেও পরিচিত। এর ফলে পরিচয় চুরি হতে পারে, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক।

আপনার ভাবমূর্তির উপর নিয়ন্ত্রণ হারানো

খুব কম লোকই জানেন যে, একবার কোনো ইন্টারনেট এআই জেনারেটরে ছবি আপলোড করলে, আপনি সেটির ওপর সমস্ত অধিকার হারান। সিস্টেমটি আপনার ছবি থেকে আপনার অবস্থান এবং ব্যক্তিগত তথ্য বের করে নিতে পারে। এতে আপনার ছবির অপব্যবহারের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

আসল ও নকলের মধ্যে পার্থক্য করা কঠিন

এআই টুল ব্যবহার করে তৈরি ছবির আরেকটি অসুবিধা হল, এআই-সৃষ্ট ছবির সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে আসল ও নকল ছবির মধ্যে পার্থক্য করা ক্রমশ কঠিন হয়ে পড়ছে। এটি ভিজ্যুয়াল কন্টেন্টের ওপর নির্ভরশীল অন্যান্য শিল্পের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

আপনার ছবিগুলো ব্যবহার করা হতে পারে

আপনি হয়তো শুধু মজার জন্য কোনো এআই অ্যাপ ব্যবহার করেছেন, কিন্তু এই প্রযুক্তি সংস্থাগুলো প্রায়শই আপনার অনুমতি ছাড়াই বিজ্ঞাপনে বা তাদের সিস্টেমকে আরও উন্নত করতে আপনার ছবি ব্যবহার করতে পারে।

গোপনীয়তার জন্য হুমকি

যখন আপনি কোনো এআই অ্যাপকে আপনার ছবি দেন, তখন আপনি অজান্তেই তাদের সার্ভারে আপনার মুখের বিবরণ (বায়োমেট্রিক ডেটা) সংরক্ষণ করেন। এরপর এই কোম্পানিগুলো আপনার ডেটা তৃতীয় পক্ষের কাছে বিক্রি করে দিতে পারে, যা আপনার গোপনীয়তাকে চিরতরে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেয়।

Read more:- ১৯৮০-এর দশকের এআই ট্রেন্ডে গা ভাসালেন বলিউডের একঝাঁক তারকা

উল্লেখ্য, এআই সিস্টেমগুলো প্রায়শই সেকেলে এবং ভ্রান্ত সামাজিক ধারণাগুলোকে আরও শক্তিশালী করে। এর ফলে চেহারা বা বর্ণের ভিত্তিতে বৈষম্য সৃষ্টি হতে পারে এবং সৌন্দর্যের ভ্রান্ত মানদণ্ড তৈরি হতে পারে, যা সমাজের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

এই রকম জীবনধারা বিষয়ক প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।

Back to top button