Food Safety: পুজোর আগেই বড় ধাক্কা! এবার শহরের ৪০টি রেস্তোরাঁ সাসপেন্ড করল খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর
সমগ্র রাজ্যজুড়ে গত ৭ দিন ধরে বহু ছোট বড় রেস্তোরাঁ, রাস্তার পাশের খাবারের দোকানে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা হানা দিয়েছেন। ডেকার্স লেন থেকে করিমস, শিমলা বিরিয়ানি, আরসালানের মতো নামী রেস্তোরাঁগুলোও বাদ যায়নি এই তালিকা থেকে।
Food Safety: আরসালান থেকে করিমস, নিম্নমানের খাবার বিক্রি করার অভিযোগে বন্ধ এই খাবারের দোকানগুলি\
হাইলাইটস:
- মোট ৫৯২ জায়গায় চালানো হয় অভিযান
- পুজোর মুখে কলকাতার ৪০ রেস্তোরাঁয় তালা
- ‘অখাদ্য’র অভিযোগ এই রেস্তোরাঁগুলির বিরুদ্ধে
Food Safety: বরাবরই রেস্তোরাঁর খাবারের প্রতি সকলের আকর্ষণ থাকে। এবার আরসালান থেকে শুরু করে করিমস, নিম্নমানের খাবার বিক্রি করার অভিযোগে এবার খাস কলকাতার ৪০টি রেস্তোরাঁর লাইসেন্স সাময়িকভাবে সাসপেন্ড করল খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর। গতকাল বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক করে এহেন সিদ্ধান্তের কথা জানালেন কলকাতা পুরসভার প্রশাসন স্মিতা পান্ডে। এবং জানালেন, অভিযান চালানো হয়েছে ৫৯২ জায়গায়। ১২২৪ কেজি পচা খাবার, সন্দেশ থেকে শুরু করে মাংস, পনির, ছানা ফেলে দেওয়া হয়েছে।
We’re now on Telegram- Click to join
সমগ্র রাজ্যজুড়ে গত ৭ দিন ধরে বহু ছোট বড় রেস্তোরাঁ, রাস্তার পাশের খাবারের দোকানে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা হানা দিয়েছেন। ডেকার্স লেন থেকে করিমস, শিমলা বিরিয়ানি, আরসালানের মতো নামী রেস্তোরাঁগুলোও বাদ যায়নি এই তালিকা থেকে। কোথাও আবার গুদামে রাখা ছানায় মিলেছে ছত্রাকও। কোথাও আবার বিপুল পরিমাণ পচা মাংস মিলেছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করেই পুজোর মুখে বিরাট বড় সিদ্ধান্ত এবার কলকাতা পুরসভার।
We’re now on WhatsApp- Click to join
গতকাল বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক করে কলকাতা পুরসভার প্রশাসন স্মিতা পান্ডে বলেছেন, “গত ৭ দিনে প্রায় ৫৯২ জায়গায় অভিযান চালানো হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে যে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা হয় না। পচা সামগ্রী মজুত করা রয়েছে। প্রাথমিক রিপোর্টের ভিত্তিতেই এবার সাময়িকভাবে ৪০টি রেস্তোরাঁর লাইসেন্স সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” এরই মধ্যে রয়েছে রিপন স্ট্রিটের করিমস, নাগেরবাজারের আরসালান, বাইপাসের শিমলা বিরিয়ানি, পার্ক স্ট্রিটের জন ডিওভানি, ডায়মন্ড হারবারে ডেনজং কিচেন।
List of 40 food establishments that have faced action for violating food safety test: pic.twitter.com/rF86CR5ohi
— Sreyashi Dey (@SreyashiDey) September 8, 2026
এই তালিকায় রয়েছে বলরাম মল্লিক সহ একাধিক মিষ্টির দোকানের নামও। প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে তা এখনও অবধি স্পষ্ট নয়। পুজোর আগেই এই রেস্তোরাঁগুলো পুনরায় চালু হবে কি না, তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় বলেছেন, “রাজ্যবাসীকে সচেতন করা এবার ভীষণ প্রয়োজন। খাবারের মান নিয়ে আপোষ করা যাবে না কোনওরকম।”
Read More- বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা দিবস কবে পালিত হয় জানেন? না জানলে এখনই জেনে নিন
এ প্রসঙ্গে ভবানীপুরের বলরাম মল্লিকের মালিক সুদীপ্ত মল্লিকের সাথে যোগাযোগ করা হয় এবং তিনি বলেছেন, “আমাদের দোকানে সব নিয়ম মেনেই কাজ করা হয়। আমাদের মিষ্টি বিদেশেও যায়। টালিগঞ্জের যে বলরাম মল্লিকের লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হয়েছে, তার সাথে আমাদের এই ভবানীপুরের শাখার কোনওরকম সম্পর্ক নেই।”
এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।







