Kunal Ghosh in Assembly: বিধানসভা চত্বর থেকে এদিন চ্যাংদোলা করে কেন বের করে দেওয়া হল কুণাল ঘোষকে?
এর পরই অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসুর নির্দেশে কুণালকে টেনে মার্শাল ডেকে হিঁচড়ে বের করে দেওয়া হয় হাউসের ভিতর থেকে। একজন বিধায়ককে এরকম রীতিমতো ঠেলে ধাক্কা মেরে বের করা হয়েছে এইভাবে? নিতান্তই মনে পড়ে না সেই ঘটনা।
Kunal Ghosh in Assembly: একজন বিধায়ককে রীতিমতো ঠেলে ধাক্কা মেরে এইভাবে কেন বের করা হল? জেনে নিন
হাইলাইটস:
- এদিন বিধানসভা হাউসের ভিতর আচমকা তৈরি হয়েছিল চরম বিশঙ্খলা
- এরপরই অধ্যক্ষর নির্দেশে কুণালকে টেনে হিঁচড়ে বের করে দেওয়া হয় হাউস থেকে
- কেন বের করে দেওয়া হল কুণাল ঘোষকে? ঠিক কি হয়েছিল এদিন? বিশদে জানুন
Kunal Ghosh in Assembly: বিধানসভার অন্দরে এবার নজিরবিহীন ঘটনা। উত্তপ্ত হয়ে উঠল বিধানসভার চত্বর। কালীঘাট তৃণমূলের কুণাল ঘোষ-কে বের করে দেওয়া হল বিধানসভা হাউসের ভিতর থেকে। একাধিকবার বারণও করা হয়েছিল হাউসের অন্দরে এহেন বিশঙ্খলা তৈরি না করার। তবে তা শোনেননি কুণাল ঘোষ।
We’re now on WhatsApp- Click to join
এর পরই অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসুর নির্দেশে কুণালকে টেনে মার্শাল ডেকে হিঁচড়ে বের করে দেওয়া হয় হাউসের ভিতর থেকে। একজন বিধায়ককে এরকম রীতিমতো ঠেলে ধাক্কা মেরে বের করা হয়েছে এইভাবে? নিতান্তই মনে পড়ে না সেই ঘটনা।
We’re now on Telegram- Click to join
কি হয়েছিল এদিন?
এদিন বিধানসভায় বক্তব্য রাখছিলেন ঋতব্রত শিবিরের তৃণমূল বিধায়ক আখরুজ্জামান। সেই সময়ই ওঠেন কুণাল ঘোষ। তারপরই সোজা আখরুজ্জামানের সামনে এসে প্রশ্ন করেন, “আমার নাম কাটলেন কেন বক্তা তালিকা থেকে? কেন নাম কাটলেন” সেই সময় কোনও উত্তর না দিয়েই আখরুজ্জামান নিজের বক্তব্য পেশ করতে থাকেন। এদিকে, কুণাল ঘোষও অনড়। একই প্রশ্ন করতে থাকেন তিনিও।
TMC MLA Kunal Ghosh was evicted from the West Bengal Assembly by marshals, following an order from the Speaker pic.twitter.com/RaQJ5d66BZ
— Nabila Jamal (@nabilajamal_) July 22, 2026
এরপর পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উত্তপ্ত হতে শুরু করে। এরপর হাউসের অভ্যন্তরে তৈরি হয় চরম বিশৃঙ্খলতা। এরপর বহু বার অধ্যক্ষ কুণাল ঘোষকে সতর্ক করে বলেন, “আপনি না বসলে আমি বের করে দেব।” তিনি একবার নয়, একাধিকবার সতর্ক করে এ কথা বলেন। কিন্তু কুণাল ঘোষও নিজের প্রশ্ন করতে থাকেন। সেই সময়ই মার্শাল ডেকে বের করে দেওয়া হয় বেলেঘাটার বিধায়ক তৃণমূলের কুণাল ঘোষকে। প্রসঙ্গত, আজই সংসদে সাসপেন্ড করা হয়েছে কালীঘাটের মমতাপন্থী সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কেও।
Read More- শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী বিজয়
কুণাল ঘোষকে বের করে দেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “প্রতিবাদ অনেক রকমের হয়। এখানে পাঁচবার এবং আটবারের বিধায়কও আছে। এমন অসভ্যতামি আমি আগে দেখিনি। বিরোধী দলে আমরাও ছিলাম। দীর্ঘদিন বিধানসভার এমএলএ আখরুজ্জামান। আজ ওঁকে মমতাপন্থী তৃণমূলের সদস্য যেভাবে শারীরিক ভাবে নির্যাতন করতে এগিয়ে গিয়েছিলেন আমি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি।”
এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।







