Bangladesh Election 2026: ‘এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে কলঙ্কিত অধ্যায়’…, BNP ক্ষমতায় আসতেই সরাসরি মুখ খুলেছেন শেখ হাসিনা!
১৩ই ফেব্রুয়ারি মিটেছে বাংলাদেশে ভোটপর্ব৷ নিরঙ্কুশ ভোটে বিএনপি জয়লাভ করেছে৷ ভোটের লড়াইতে ছিলই না শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগ৷ তবে ভোটপর্ব মিটতেই তিন পাতার বাংলাদেশের নির্বাচনকে কটাক্ষ করে এবার বিবৃতি জানালেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা৷
Bangladesh Election 2026: বললেন, প্রহসনের ভোট! ভোটদানের হারের কথা উল্লেখ্য করে বিবৃতি প্রকাশ শেখ হাসিনার
হাইলাইটস:
- ভোটপর্ব মিটতে ফের নির্বাচনের সমালোচনা করলেন শেখ হাসিনা
- এবার সরাসরি এক স্পষ্ট বিবৃতি দিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী
- ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়ায় অসংগতি রয়েছে বলে দাবি শেখ হাসিনার
Bangladesh Election 2026: নির্বাচনের দিনই বাংলাদেশের এই নির্বাচনকে ‘প্রহসনের ভোট’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা আওয়ামি লিগের নেত্রী শেখ হাসিনা৷ এবার ভোটপর্ব মিটতেই ফের বাংলাদেশের নির্বাচনের তীব্র সমালোচনা করে এক বিবৃতি দিয়েছেন শেখ হাসিনা। এর পাশাপাশি, ভোটদানের হারের উল্লেখ্য করে শেখ হাসিনার দাবি, ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়ায় রয়েছে বেশ অসংগতি৷
We’re now on WhatsApp- Click to join
১৩ই ফেব্রুয়ারি মিটেছে বাংলাদেশে ভোটপর্ব৷ নিরঙ্কুশ ভোটে বিএনপি জয়লাভ করেছে৷ ভোটের লড়াইতে ছিলই না শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগ৷ তবে ভোটপর্ব মিটতেই তিন পাতার বাংলাদেশের নির্বাচনকে কটাক্ষ করে এবার বিবৃতি জানালেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা৷
We’re now on Telegram- Click to join
সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে শেখ হাসিনা জানালেন, “১২ই ফেব্রুয়ারি জাতি একটি পূর্বপরিকল্পিত প্রহসনের ভোট প্রত্যক্ষ করেছে, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে লিপিবদ্ধ থাকবে এক কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে। এটা জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ছিল না, বরং এটা ছিল সংখ্যার কারসাজির এক শিল্পায়িত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া৷”
A statement by the former PM of Bangladesh, Sheikha Hasina, reads, "On 12 February, the nation witnessed a pre-planned election of deception and farce – one that will be recorded as a disgraceful chapter in Bangladesh’s democratic history. This was not an election of public will;… pic.twitter.com/nHyaPMIQPL
— Press Trust of India (@PTI_News) February 13, 2026
বিবৃতিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, “এই নির্বাচনে মোট নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন ছিল। সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে এবং যা বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত চলেছে।’’ তবে তিনি অভিযোগ করেন যে ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়া এবং ধাপে ধাপে নির্বাচন কমিশন ঘোষিত ভোটদানের হারের মধ্যে গুরুতর অসংগতি এবং অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়েছে বলেই।
Read More- শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আজ বাংলাদেশে ভোট! কে বসবে এবার পদ্মাপারের সিংহাসনে?
শেখ হাসিনা দাবি করেছেন যে, নির্বাচন কমিশনের প্রথম ব্রিফিং অনুসারে সকাল ১১টা অবধি—অর্থাৎ প্রথম ৩ ঘণ্টা ৩০ মিনিটে—১৪.৯৬ শতাংশ ভোট পড়েছে, যা সংখ্যায় ১ কোটি ৯১ লাখ ৫ হাজার ৬৮৪টি ব্যালটের সমান। তার ভাষ্য অনুসারে, এই হিসাব অনুযায়ী প্রতি মিনিটে গড়ে প্রায় ৯০ হাজার ৯৭৯টি ভোট পড়ার কথা, যা বাস্তবতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলেই মনে করেন তিনি। তিনি আরও বলেছেন যে, প্রকাশিত পরিসংখ্যান এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তব চিত্রের মধ্যে রয়েছে স্পষ্ট অসঙ্গতি এবং পুরো প্রক্রিয়াটি গভীরভাবেই তদন্তের দাবি রাখে।
এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।







