Bangla News

SIR in West Bengal: সময়সীমার আগেই রাজ্যে শেষ এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়া! ইতিমধ্যেই নথি যাচাই ১ কোটি ২৩ লক্ষ ভোটারের

কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে যে, ইতিমধ্যেই যাচাই করা হয়েছে বিপুল সংখ্যক ভোটারের নথি। সূত্রের খবর অনুযায়ী, মোট ১ কোটি ৫১ লক্ষ ৯২ হাজার ৭৩৫ জন ভোটারের ক্ষেত্রে জেনারেট করা হয়েছিল শুনানির নোটিস।

SIR in West Bengal: ডেডলাইনের আগেই শেষ শুনানি, এবার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শুরু!

হাইলাইটস:

  • রাজ্যে এসআইআর শুনানি নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ
  • সম্পন্ন হয়েছে মোট ১ কোটি ২৩ লক্ষ ভোটারের নথি যাচাই
  • এবার রিপোর্ট জমা পড়ল মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে

SIR in West Bengal: নির্ধারিত সময়সীমার আগেই শেষ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা সংক্রান্ত অর্থাৎ এসআইআর প্রক্রিয়ার শুনানি। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে পৌঁছে গিয়েছে সব জেলার জেলাশাসকদের কাছ থেকে রিপোর্ট।

রাজ্যে শেষ এসআইআর শুনানির প্রক্রিয়া

কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে যে, ইতিমধ্যেই যাচাই করা হয়েছে বিপুল সংখ্যক ভোটারের নথি। সূত্রের খবর অনুযায়ী, মোট ১ কোটি ৫১ লক্ষ ৯২ হাজার ৭৩৫ জন ভোটারের ক্ষেত্রে জেনারেট করা হয়েছিল শুনানির নোটিস। এর মধ্যে ১ কোটি ২৩ লক্ষ ভোটারের নথি যাচাই ইতিমধ্যেই সম্পন্ন করা হয়েছে।

We’re now on WhatsApp- Click to join

তবে, প্রায় ৩ লক্ষ ৫৫ হাজার ৬৭৯ জন ভোটারের কাছে এখনও অবধি নোটিস পৌঁছায়নি বলেই এদিন জানা গিয়েছে। যাঁদের কাছে এই নোটিস পাঠানো হয়েছিল, তাঁদের সবারই শেষ করা হয়েছে শুনানি প্রক্রিয়া।

We’re now on Telegram- Click to join

সব জেলার জেলাশাসক তথা ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসারদের কাছ থেকে চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা পড়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে। কমিশন সূত্রে দাবি যে, নির্ধারিত সময়সীমার আগেই শুনানি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ায় এই প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হয়েছে এবং ভোটার তালিকা তৈরির কাজও নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করার এবার চেষ্টা করা হচ্ছে।

SIR in West Bengal

নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়ায় খতিয়ে দেখা হয়েছে বহু আবেদনকারীর নথি। তবে প্রায় ১ লক্ষ ৪০ হাজার ক্ষেত্রে পাওয়া যায়নি কোনও বৈধ নথি। ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে ভোটার তালিকা থেকে।

Read More- বাংলায় বাড়তে চলেছে SIR শুনানির সময়সীমা? বিধানসভা ভিত্তিক জেলাশাসকদের রিপোর্ট পেলেই এবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন

দফতর সূত্রে জানা যাচ্ছে যে, যাঁদের নাম বাতিল করা হয়েছে তাঁদের কাছে পাঠানো হচ্ছে পৃথকভাবে চিঠি। সেই চিঠিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হচ্ছে যে কেন তাঁদের নাম বাতিল করা হল বা কি বা কোন কারণে তাঁদের আবেদন খারিজ করা হয়েছে। নির্বাচন কর্তৃপক্ষের দাবি যে, ভোটার তালিকা নির্ভুল এবং স্বচ্ছ রাখতেই এহেন পদক্ষেপ। বৈধ নথির ভিত্তিতেই চূড়ান্ত করা হচ্ছে তালিকা বলেই জানানো হয়েছে।

এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।

Back to top button