Sayak-Beef Case: এবার গোমাংস-কাণ্ডে জামিন পেলেন পার্কস্ট্রিট পাবের বেয়ারা, তবে কথা দিয়েও মামলা তোলেননি সায়ক চক্রবর্তী
ওই দিন রাতেই গ্রেফতার হন পাবের ওই ওয়েটার। পরদিন তাঁকে কোর্টে তোলা হলেও মেলেনি জামিন, তিন দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে কাটানোর পরই গতকাল জামিন পেয়েছেন শেখ নাসিমুদ্দিন।
Sayak-Beef Case: ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৯ ধারায় রুজু হয়েছিল মামলা, এবার শেষমেষ জামিন পেলেন ওই রেস্তোরাঁ কর্মী!
হাইলাইটস:
- বিগত কয়েক দিন যাবৎ গোমাংস বিতর্ক নিয়ে ঝড় বয়ে গিয়েছে
- বেয়ারার ধর্ম-পরিচয় টেনে হুমকি দেওয়ায় রোষের মুখে পড়েন সায়কও
- তবে এবার এই মামলায় জামিন পেলেন অভিযুক্ত ওয়েটার
Sayak-Beef Case: গত কয়েকদিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তী! গত শনিবার পার্ক স্ট্রিট এলাকার নামী রেস্তোরাঁয় বন্ধু সুকান্ত কুণ্ডু এবং অনন্যা গুহর সাথে হাজির হন সায়ক। সেখানেই ঘটে যায় অবাক করা কাণ্ড। মটন স্টেক অর্ডার করেছিলেন অভিনেতারা তবে তার বদলে আসে বিফ। না জেনেই সেটি খেয়েও বসেন তাঁরা। এরপরই লেগে যায় হইচই কাণ্ড। ধর্মভ্রষ্ট করার উদ্দেশ্য নিয়ে ‘ব্রাহ্মণ’ সায়ক চক্রবর্তীকে গো-মাতা খাওয়ায় ওই বেয়ারা। এমন অভিযোগ আনেন অভিনেতা সায়ক। তুমুল বচসার পরই মামলার জল গড়ায় পুলিশ অবধি।
We’re now on WhatsApp- Click to join
ওই দিন রাতেই গ্রেফতার হন পাবের ওই ওয়েটার। পরদিন তাঁকে কোর্টে তোলা হলেও মেলেনি জামিন, তিন দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে কাটানোর পরই গতকাল জামিন পেয়েছেন শেখ নাসিমুদ্দিন। তাঁর পরিবেশন করা খাবার খাওয়াকে ঘিরেই ঘটেছিল সব কেলেঙ্কারি। এদিন ওই বেয়ারাকে ব্যাঙ্কশাল কোর্ট জামিন দেয়। কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, সায়ক চক্রবর্তী এক ফেসবুক পোস্টে গত রবিবার জানিয়েছিলেন, ওই ওয়েটারের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ তুলে নেবেন। কিন্তু তেমনটা করেননি অভিনেতা, তা জানিয়েছেন বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকি।
We’re now on Telegram- Click to join
সমাজকর্মী কোয়েলি গঙ্গোপাধ্যায় রীতিমতো জোর ক্ষোভের সুরে বলেন, ‘অভিযোগ থানায় এসে তিনি জানিয়েছিলেন। মামলা প্রত্যাহারও থানায় গিয়েই করতে হয়, ফেসবুকে লিখলে হয় না। এটা কি সায়ক চক্রবর্তী জানেন না?’
নাজিমুদ্দিনের গ্রেফতারির ঘটনায় কলকাতার সিংহভাগ মানুষ ফুঁসে উঠেছিল। সায়কের পাশেও দাঁড়ায়নি তাঁর ইন্ডাস্ট্রির মানুষজনও। বরং শ্রমজীবী নাসিমুদ্দিনকে নিয়ে চিন্তা জাহির করেছে টলিউডপাড়া। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৯ ধারায় মামলা রুজু হয় ওই পানশালার বেয়ারার বিরুদ্ধে। অভিযোগ প্রমাণে এই ধারায় সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রেখেছে। পালটা সায়কের বিরুদ্ধেও অভিযোগ করা হয় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় উস্কানির। এখনও বহাল রয়েছে সেই মামলা।
Read More- অলি পাবের গোমাংস বিতর্কে নয়া মোড়! বেয়ারার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ এবার প্রত্যাহার করলেন সায়ক
এই ঘটনার পর পার্ক স্ট্রিটের পাবের পক্ষ থেকে ক্ষমাও চাওয়া হয়। সায়কের পোস্ট করা ভিডিয়োতেও স্পষ্ট দেখা যায়, বেয়ারা এবং ম্যানেজার দুজনেই মটনের বদলে গরুর মাংসের স্টেইক পরিবেশন ভুলবশত হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়ে তিনি ক্ষমা চেয়েছিলেন। তবুও মন গলেনি সায়কের।
এইরকম আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন পেতে ওয়ান ওয়ার্ল্ড নিউজ বাংলার সাথে যুক্ত থাকুন।







